ইরানের ‘হানজালা’ হ্যাকিং গ্রুপ ক্ষেপণাস্ত্রের চেয়েও ভয়ংকর
ইসরায়েলের নিরাপত্তা এবং সামাজিক কাঠামোর গভীরে ইরানের গোয়েন্দা প্রভাব দেশটির ক্ষেপণাস্ত্র শক্তির চেয়ে 'অনেক বেশি শক্তিশালী'। ইসরায়েল সম্পর্কে ইরানের কাছে যে পরিমাণ তথ্য রয়েছে তা 'উদ্বেগজনক'।
ইসরায়েলের কিছু বিশেষ ব্যক্তির নাম, ছবি, পারিবারিক সংযোগ এবং কর্মক্ষেত্রসহ তাদের যাবতীয় বিষয়ে ইরানের হাতে অ্যাক্সেস রয়েছে। এমন সব তথ্য ইরানের কাছে রয়েছে যা ইসরায়েলের অভ্যন্তরে প্রকাশ করার অনুমতি নেই। তিনি এই স্তরের অ্যাক্সেসকে 'খুবই ভাবনার বিষয়' বলে অভিহিত করেছেন।
এ ধরণের অভিযানের লক্ষ্য হল ইসরায়েলি সমাজের মনোবল দুর্বল করা এবং নাগরিকদের মধ্যে দেশত্যাগের আকাঙ্ক্ষা তৈরি করা। এই গোয়েন্দা তথ্য ইরানের অন্যতম প্রধান হাতিয়ার এবং কার্যকারিতার দিক থেকে ক্ষেপণাস্ত্র শক্তির চেয়ে বেশি প্রভাব ফেলছে।
ইসরায়েলি নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞ জানিয়েছেন, ইরান টেলিগ্রাম পত্রিকায় একটি হিব্রু ভাষার পৃষ্ঠা পরিচালনা করে যেখানে ইসরায়েল বিরোধী সংবাদ প্রকাশিত হয় এবং এই কার্যকলাপ গুলি সাইবার এবং গোয়েন্দা সংস্থা গুলি দ্বারা পরিচালিত হয়। এ দিক থেকে তিনি এ বিষয়টিকে একটি 'সাইবার সেনাবাহিনী' “Cyber army” হিসাবে বর্ণনা করেছেন।
অন্যান্য শক্তিশালী দেশ থেকে তারা যে শক্তি পায় তা তারা সাইবার প্রচারণায় ব্যবহার করে। তাদের এ বিষয়ক বেশ কিছু প্রত্যাশিত সাফল্যও রয়েছে। একটি উদাহরণ হতে পারে 'হানজালা' নামক হ্যাকিং গ্রুপ “Hanzala' hacking group”। এই গ্রুপটি বছরের পর বছর ধরে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে আক্রমণাত্মক সাইবার অভিযান পরিচালনা করে আসছে।
সেপ্টেম্বর এবং ডিসেম্বরে ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী “Israel Katz” ইস্রায়েল কাটজের ফোন হ্যাক করা হয়েছিল এবং ইসরায়েলের সাবেক প্রধানমন্ত্রী “Naftali Bennett” নাফতালি বেনেটের টেলিগ্রাম অ্যাকাউন্টও হ্যাক করা হয়েছিল। প্রধানমন্ত্রীর চিফ অফ স্টাফ এবং প্রাক্তন বিচারমন্ত্রীর মোবাইল ফোনও হ্যাক করা হয়েছিল। এ সবের পিছনে ছিল “Hanzala” 'হানজালা' নামক হ্যাকিং গ্রুপ।
