" পৃথিবীর শেষ দিনের বিমান! US Doomsday Plane | E-4B Nightwatch - বিডি টুডে ভাইরাল

পৃথিবীর শেষ দিনের বিমান! US Doomsday Plane | E-4B Nightwatch

ডুমসডে-বিমান

ভূমিতে থাকা সব শক্তিশালী সামরিক স্টেশন এবং কমান্ড সেন্টার ধ্বংস হয়েযাবে। যখন একটিদেশের রাষ্ট্রপতি এবং সেনাপ্রধান, কেউই আর নিরাপদ থাকবে না।


ঠিক তখনই আকাশে উড়াল দেবে এক রহস্যময় বিমান- এটি কোনো সাধারণ বিমান নয়, এটিই হলো যুক্তরাষ্ট্রের ‘ডুমসডে প্লেন’ "Doomsday Plane" ।


৫০ বছর পর সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্র প্রকাশ্যে এনেছে এই ভয়ংকর বিমানটি।কিন্তু প্রশ্ন হলো-কেন এটি এত গোপনীয়? কী আছে এতে, এবং কেন এটিকে- পৃথিবীর শেষ দিনের বিমান “The plane of the last day of the world” বলাহয়েছে?


ডুমসডে বিমান কী?

এর অফিসিয়াল নাম E-4B Nightwatch। এটি আকাশে উড়ন্ত অবস্থায় মূলত একটি ভাসমান হোয়াইট হাউস ও পেন্টাগন।


যুক্তরাষ্ট্র এই বিমানটি তৈরি করেছিল সোভিয়েত ইউনিয়নের সাথে ঠান্ডা যুদ্ধ চলাকালীন সময়ে, কারন তখন যেকোনো মুহূর্তে এই দেশ দুটির মধ্যে পারমাণবিক যুদ্ধ শুরু হয়ে যেতে পারত।


কেন এটি এত বিশেষ ভাবে তৈরি?

🔹 পারমাণবিক বিস্ফোরণের ইলেক্ট্রোম্যাগনেটিক পালস (EMP) এটির কোনো ক্ষতি করতে পারবে না

🔹 পৃথিবীর যেকোনো জায়গা থেকে এটি পুরো মার্কিন সামরিক বাহিনীকে পেন্টাগনের মত নির্দেশনা দিতে পারে

🔹 এতে রয়েছে ৬৭টি শক্তিশালী স্যাটেলাইট ও রেডিও যোগাযোগ ব্যবস্থা

🔹 প্রেসিডেন্ট সহ একসাথে ১১২ জনের বেশি শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তা এখানে কাজ করতে পারেন

সবচেয়ে ভয়ংকর বিষয় হলো- জ্বালানি সরবরাহের মাধ্যমে এটি একটানা ৭ দিন পর্যন্ত রাডার ফাঁকি “Radar Evasion” দিয়ে আকাশে ভেসে বেড়াতে পারে।


কেন একে “ডুমসডে” বলা হয়?

এই বিমানটি ব্যবহৃত হবে বিশ্বের সবচেয়ে ভয়ংকর পরিস্থিতিতে, যেমন-

⚠️ পারমাণবিক যুদ্ধ,

⚠️ বড় মাত্রার হামলা, কিংবা

⚠️ যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতির নিরাপত্তা মারাত্মক হুমকিতে পড়লে।


এই বিমানের ভেতর থেকেই দেওয়া যেতে পারে- ভূমিতে স্থাপন করা প্রতিটি পারমাণবিক ক্ষেপণাস্ত্রকে নির্ভুল লক্ষবস্তুতে হামলার চূড়ান্ত নির্দেশনা। অর্থাৎ,এই বিমান উড়লে বুঝতে হবে, পৃথিবী হয়তো ইতিহাসের সবচেয়ে বিপজ্জনক মুহূর্তে পৌঁছেছে!

US-Doomsday-Plane-E-4B Nightwatch

কী আছে এর ভেতরে?

E-4B এর ভেতরে রয়েছে-🔹যুদ্ধ পরিচালনা করার আলাদা কন্ট্রোল রুম

🔹গোপন কোড সংরক্ষণের নিরাপদ চেম্বার

🔹রাষ্ট্রপতির জন্য আলাদা নিরাপদ কেবিন

🔹এমনকি বিশ্বব্যাপী পারমাণবিক যুদ্ধ পরিচালনা করার সক্ষমতা

এটি কোনো বিলাসবহুল বিমান নয়, এটি যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত একটি  ভয়ংকর  উড়ন্ত দানব।


কেন ৫০ বছর পর একে আবার প্রকাশ্যে আনলো  আমেরিকা?

বিশেষজ্ঞদের মতে-

🌍 বর্তমান বিশ্ব পরিস্থিতি

🌍 যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সম্পর্ক

🌍 রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ

🌍 চীন-তাইওয়ান উত্তেজনা


এই সবকিছুর প্রেক্ষিতে যুক্তরাষ্ট্র এখনো বিশ্বের চোখে আঙুল দিয়ে বুঝিয়ে দিতে চায়-

🔹“আমরা এখনও প্রস্তুত।”

🔹“শেষ দিনেও, আমরা নিয়ন্ত্রণ হারাবো না।”

পরিশেষে তথ্য বিশ্লেষণে বোঝাযায়- ডুমসডে বিমান কখনোই জনসাধারণের প্রদর্শনের জন্য নয়। এটি উড়লে বোঝা যায়-মানব সভ্যতা আজ সবচেয়ে বড় বিপদের মুখে মুখে।


এই বিমান কখনোই যুদ্ধ শুরু করে না… কিন্তু এটি বুঝিয়ে দেয় যে, যুদ্ধ শুরু হলে, বিশ্ব ব্যবস্থা কার নিয়ন্ত্রণে থাকবে।

Previous Post
No Comment
Add Comment
comment url



অনুসরণকারী